টাইগারদের কাছে হারের কারণ যাকে দুষলেন হাসারাঙ্গা

 


শ্রীলঙ্কাকে ১২৪ রানে আটকে ২ উইকেটের কষ্টার্জিত জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করেছে বাংলাদেশ। রিশাদ হোসেনের তোপের পর তাওহিদ হৃদয়ের ২০ বলে ৪০ রানের ইনিংসের উপর ভর করে শেষের শঙ্কা উড়িয়ে জয় পেয়েছে টাইগাররা।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ৬ উইকেটে হারের পর আজ শনিবার ডালাসের গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের কাছেও হারলো শ্রীলঙ্কা। ম্যাচ পরবর্তী বক্তব্যে নিজেদের হারের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন লঙ্কান অধিনায়ক ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা।

হাসারাঙ্গার এই হারের পেছনে নিজেদের ব্যাটিংকেই দায়ী করেছেন। তিনি মনে করছেন, ব্যাটিংয়ের শুরুটা যেভাবে হয়েছিল, শেষটা সেভাবে করতে পারেনি লঙ্কানরা।

পাথুম নিশাঙ্কা আর কুশল মেন্ডিস আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ৫৩ রান করে শ্রীলঙ্কা। আর শেষ পর্যন্ত ব্যাট করে তারা তুলতে পারে কেবল ১২৪ রান। অর্থাৎ শেষ ১৪ ওভারে লঙ্কান ব্যাটাররা নিতে পেরেছেন ৭১ রান, হারিয়েছেন ৭ উইকেট।

শেষ দিকের ব্যাটিং বিপর্যয়কেই নিজের হারের কারণ বলেছেন হাসারাঙ্গা। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, ‘প্রথম ৮-১০ ওভারে আমাদের ব্যাটসম্যানরা সত্যিই ভালো ব্যাটিং করেছে। এরপর মধ্য ওভারগুলোতে আমার মনে হয় আমরা খারাপ ব্যাটিং করেছি। শেষ দুই ম্যাচে ব্যাটাররা তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারেনি। এটা মেনে নেওয়া খুবই কঠিন। প্রথম দুই ম্যাচই আমরা হেরেছি।’

বাংলাদেশ ম্যাচটি নিজেদের করে নেয় ১৯তম ওভারে। ওই ওভারটি করতে আসেন অলরাউন্ডার দাসুন শানাকা। প্রথম বলেই তাকে ছক্কা হাঁকান মাহমুদউল্লাহ। সে ওভারেই প্রয়োজনীয় ১১ রান আদায় করে বাংলাদেশকে জয় উপহার দেন ডানহাতি অভিজ্ঞ এই ব্যাটার।

শানাকাকে একরকম বাধ্য হয়েই বোলিংয়ে এনেছে বাংলাদেশ। কারণ, পেশাদার ৪ বোলার আগেই তাদের ওভার শেষ করে ফেলেছেন। লঙ্কানদের কৌশলগত এই ভুলের সুযোগ ভালোভাবে কাজে লাগিয়েছে বাংলাদেশ।

বিষয়টি উল্লেখ করে হাসারাঙ্গা বলেন, ‘আমরা সবাই জানি, আমাদের বোলিং আক্রমণই মূল শক্তি। বিশেষ করে ব্যাটাররা ১৫০-১৬০ রান করলে আমাদের বোলিং আক্রমণ ম্যাচ জেতাতে পারে। আমরা চারজন প্রধান বোলার নিয়ে বল করেছি। আমি মনে করি, আমাদের চারজন প্রকৃত বোলার তাদের কাজ করেছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আমাদের অলরাউন্ডারদের ৪ ওভার বোলিং করতে হয়েছে।’

Comments

Popular posts from this blog

এবার নতুন লক্ষ্য সাকিব-লিটনদের

রক্ত ঝরানো দর্শকের উদ্দেশ্যে যা বললেন: তাওহীদ হৃদয়